News Ticker

Menu

Browsing "Older Posts"

Browsing Category " HEALTH "

স্কিনি জিনসে স্নায়ুর ক্ষতি

Wednesday, June 24, 2015 /
স্কিনি জিনস বা আঁটসাঁট জিনসের পরিধান স্নায়ুর (নার্ভের) ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার একদল চিকিৎসক এ তথ্য জানান। জার্নাল অব নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি অ্যান্ড ফিজিয়াট্রির বরাত দিয়ে হাফিংটন পোস্ট প্রকাশ করেছে এই প্রতিবেদন।  
প্রতিবেদনে চিকিৎসকরা জানান, কয়েকদিন আগে ৩৫ বছর বয়সী একজন নারী হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি আঁটসাঁট জিনস পড়তেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পায়ের পেশি, পা ফোলা এবং অবশ স্নায়ুর সমস্যা নিয়ে আসেন।
অস্ট্রেলিয়ার দ্য রয়েল এডেলেইডা হাসপাতালের চিকিৎসক থমাস কিমবার জানান, ‘আমরা বিস্মিত হয়েছি ওই রোগীর স্নায়ু এবং পেশির খারাপ অবস্থা দেখে।’ 
হঠাৎ করে জিনস পরিহিত অবস্থায় তাঁর পা শক্ত এবং অসাড় হয়ে যাচ্ছিল। রোগী প্রথমে তাঁর সমস্যা বুঝতে পারেননি এবং চলাচলের জন্য অন্যের সাহায্য নেন। হাসপাতালে আসার আগে তিনি অনেকটা অসহায় অবস্থায় কাটাচ্ছিলেন।
ডা. কিমবার আরো বলেন, আঁটসাঁট জিনসের পরিধান তাঁর কুঁচকির স্নায়ুতে আঘাত করে; বিভিন্ন পেশিরও ক্ষতি করে। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা যায়, আঁটসাঁট জিনস পায়ের নিচের দিকে স্নায়ুতে চাপ ফেলে রক্ত চলাচলকে হ্রাস করেছে। 
চারদিন চিকিৎসা করা হয় ওই নারীর। এরপর তিনি স্কিনি জিনস পরা বাদ দেন। তারপরও পুরোপুরি সেরে ওঠেনি তাঁর পা। অবশ্য অনেকদিন পর ধীরে ধীরে পা স্বাভাবিক হয় ওই নারীর।
ডা. কিমবারের মতে, স্কিনি জিনস বেশ ফ্যাশনেবল হলেও এর পরিধান পায়ের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।
তাই এ ধরনের পোশাক ব্যবহারে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।


কেন ওজন বাড়ে না জাপানি মেয়েদের

Tuesday, June 23, 2015 /


২৫ বছর ধরে বিশ্ব রেকর্ডে দীর্ঘায়ু হওয়ার শীর্ষ স্থানটি ধরে রেখেছে জাপানি মেয়েরা। তারা প্রায় ৮৪ বছর বা তার বেশি সময় বাঁচে। পাশাপাশি স্লিম ফিগারের অধিকারীও হয়। এর পেছনে গোপন রহস্য কী?
লেখক নাউমি মোরিইয়ানার ‘জাপানিস ওমেন ডোন্ট গেট ওল্ড অর ফ্যাট’ বইয়ের বরাত দিয়ে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে হেলদি ফুড স্টাইল। এখানে লেখিকা নাউমির মায়ের রান্না ঘরের কথা বর্ণনা করা হয়েছে।
বইয়ে নাউমি লিখেছেন,‘ চিকন স্বাস্থ্য এবং র্দীঘায়ুর  কারণ হলো যেসব খাবার জাপানিরা নিয়মিত খায় সেগুলো রান্নার ধরন। তাদের খাবারের তালিকার শীর্ষে থাকে মাছ, সামুদ্রিক শৈবাল (সিওইড) , ফল, সয়া, ভাত, সবজি এবং গ্রিন টি’।
এসব খাদ্য বস্তুর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি এইজিং বা বয়সরোধক উপাদান। এসব খাবার খাওয়া ওজনের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বেশ উপকারী।
জাপনিরা প্রতিদিন তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার গ্রিলড মাছ, ভাত, রান্না করা সবজি, স্যুপ, গ্রিন টি এবং ফল ইত্যাদি খায়। বলে রাখা ভালো, সারা বিশ্বে মাছ খাওয়া লোকের মধ্যে ১০ শতাংশই জাপানি।
মোরিইয়ানা বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই জাপানে শিশুদের শেখানো হয় খাবার ধীরে ধীরে খেতে এবং প্রতি কামড়কে উপভোগ করতে। এখানে নিয়ম হলো বাটি ভরে খাবার না খাওয়া এবং প্রত্যেকটি খাবার আলাদা আলাদা পরিবেশন করা।’
জাপানি রান্নার ধরন অনেক সহজ, খাবারগুলো ধীরে রান্না করা হয়, বেশির ভাগ সময় গ্রিলড বা সেদ্ধ করা হয়। রুটির পরিবর্তে তারা প্রত্যেক বেলায় ভাত খায়। এটা আসলে পশ্চিমা বিশ্বের সাথে প্রাচ্যের বড় পার্থক্য।
জাপানিরা সকালের খাবারের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেয়। এখানেই বেশির ভাগ খাবার এবং পানীয় থাকে। বেশির ভাগ সকালের খাবারের তালিকায় থাকে গ্রিন টি, সেদ্ধ ভাত, স্যুপ, টফু, ইয়ং গার্লিক, সমুদ্র শৈবাল (সিওইড), ওমলেট এবং একটি মাছের টুকরা।
মিষ্টি জাতীয় ডেজার্ট জাপানিরা মাঝে মধ্যে খায়। আর খেলেও খুব কমই খায়। এর মানে এই নয় যে জাপানি নারীরা চকোলেট, কুকিস, আইসক্রিম এবং কেক খেতে ভালোবাসে না। তবে তারা এসব খাবারে নেতিবাচক দিকগুলো অনুভব করে, তাই কম খায়।
মোরিইয়ানা  তার বইয়ে আরো বলেন, ‘ব্যায়াম করা জাপানিদের প্রতিদিনের রুটিনের একটি অংশ। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে তাদের সংস্কৃতির মধ্যে বাইকিং, হাঁটা এবং পাহাড় বাওয়া- এই বিষয়গুলো রয়েছে।’
তাই যদি আপনিও দীর্ঘায়ু বা স্লিম ফিগারের অধিকারী হতে চান এসব খাবার খেয়ে দেখতে পারেন।

বায়ুদূষণে ক্ষতি হয় মস্তিষ্কে

Wednesday, June 17, 2015 /


দীর্ঘ সময় ধরে বায়ুদূষণের মধ্যে বসবাস করলে মস্তিষ্কের ক্ষতি হয়। বায়ুদূষণ মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত  করে। সাদা রঙের এই অংশটিই মস্তিষ্কে এক্সন কোষ তৈরি করে; যা মস্তিষ্কের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে। হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে সাম্প্রতিক এই গবেষণার কথা।
গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, বয়স্ক নারীরা যদি বায়ুদূষণের মধ্যে থাকেন তবে মস্তিষ্কের ওই সাদা জিনিস হ্রাস পায়।
গবেষণাটি করা হয়, ছয় থেকে সাত বছর ধরে বায়ুদূষণের মধ্যে থাকা ৭১ থেকে ৮৯ বছর বয়সী ১৪০৩ জন নারীর ওপর। তাদের মস্তিষ্কের এমআরআই করেই এই ফল পাওয়া যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আসা গবেষণাটির প্রধান লেখক ডক্টর লি চিয়ুয়ান চেন বলেন, গবেষণাটি পরিবেশদূষণের কারণে মানুষের মস্তিষ্কের ক্ষতির একটি বড় ধরনের প্রভাব আবিষ্কার করল।
ডক্টর লি চিয়ুয়ান চেন আরো বলেন, আমরা প্রমাণ পেয়েছি মস্তিষ্কের কয়েকটি ভাগে, বিশেষত যেখানে সাদা জিনিস আছে সেখানে দীর্ঘমেয়াদি বায়ুদূষণের ফলে নিউরোটক্সিকের প্রভাব পড়ে, যা মস্তিষ্কের বড় ধরনের ক্ষতি করে।
গবেষণাটি প্রকাশিত হয় এনালস অব নিউরোলোজি জার্নালে।

ঋতুচক্র জানাবে কেমন আছে স্বাস্থ্য

/
ঋতুস্রাব নারীর শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে কোনো কারণে  ঋতুচক্রে যদি কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়- এটি স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে।  
যদি মাঝারি রকমের রক্তপাত হয় তবে বুঝতে হবে শরীর স্বাভাবিক আছে, এর কার্যক্রম ঠিকঠাক চলছে। আর কখনো যদি ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যায়, তার মানে আবার এও নয় যে আপনি সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়েছেন। এটি শরীরের কিছু অস্বাভাবিকতার লক্ষণ।  
বিশেষজ্ঞের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ঋতুচক্রের পরিবর্তনই জানিয়ে দেবে কেমন আছে আপনার স্বাস্থ্য। জেনে নিন কী ধরনের পরিবর্তন হলে চিকিৎসকের কাছে যাবেন আপনি। 
ঋতুচক্র
২৮ থেকে ৩৫ দিনের ব্যবধানে ঋতুস্রাব হয়। এই সময়টির গণনা শুরু হয় ঋতুস্রাবের প্রথম দিন থেকেই। আপনার চক্রের মধ্যে পুনরাবৃত্তি হলে একে সাধারণ ধরা হয়। তবে যদি সমস্যা মনে হয় তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ঋতুস্রাবের সময়
যদি তিন থেকে সাতদিন ঋতুস্রাব থাকে তবে এটি ঠিক আছে। এর মধ্যে দু-তিনদিন বেশি পরিমাণে রক্তপাত হতে পারে। তবে এর বেশি সময় ধরে রক্তপাত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
রক্তপাতের গতি
হয়তো আপনি ভাবছেন অনেক রক্তপাত হচ্ছে। যদি একদিনে দুই থেকে তিনটি স্যানিটারি প্যাড লাগে এটি স্বাভাবিক। তবে যদি ছয় থেকে আটটি স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেন এটি স্বাভাবিক নয় এবং এটি রক্তস্বল্পতা বা এনিমিয়া হওয়ার চিহ্ন। তবে আবার যদি কেবল একটি প্যাড ব্যবহার করেন এটিও তেমন স্বাভাবিক নয়। যেকোনো ধরনের সংক্রমণ এবং ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অথবা মস্তিষ্কের টিউমারের লক্ষণ এটি। তাই রক্তপাতের গতিতে যেকোনো পরিবর্তন এলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
রক্তের রং
সাধারণত ঋতুস্রাবের রক্তের রং হবে উজ্জ্বল লাল। যদি রক্তের রং কালচে হয় তবে হরমোনের অভাবের লক্ষণ।
ঋতুস্রাবে ব্যথা
যদি ঋতুস্রাবের সময় হঠাৎ ব্যথা অনুভব করেন তবে এটি আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলে দেবে।  তাই গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিন।
দুই ঋতুচক্রের মধ্যে রক্তপাত
যেসব নারী পিল বা জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ খাচ্ছেন দুই ঋতুচক্রের মধ্যে অনেক সময় রক্তপাত হওয়া তাঁদের জন্য অনেকটা স্বাভাবিক। তবে যদি প্রায়ই রক্তপাত হতে দেখা যায়, এই লক্ষণ শরীরের জন্য ভালো নয়। অনেক ধরনের সমস্যার কারণ এটি। তাই এ রকম হলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।