News Ticker

Menu

Browsing "Older Posts"

Browsing Category " STATE "

গৃহবধূকে ‘ধর্ষণ’, মুখ খুললে স্বামীকে মেরে ফেলার হুমকি, বিষ্ণুপুরে

Tuesday, June 23, 2015 /


গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিষ্ণুপুর থানার দক্ষিণবাগি গ্রামে। অভিযোগের তির গ্রামেরই ২ যুবকের দিকে। গত বুধবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটলেও গতকাল তা পরিবারের লোকজনকে জানান নির্যাতিতা। অভিযোগ, ধর্ষণের ঘটনাটি কাউকে জানালে গৃহবধূর স্বামীকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় অভিযুক্তরা। তাই ভয় পেয়ে ঘটনার কথা এতদিন কাউকে জানাননি বলে দাবি অভিযোগকারিণীর। এরপর গতকাল রাতেই ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয় বিষ্ণুপুর থানায়। অভিযুক্ত রাজু মণ্ডল ও চিরণ রায় পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।


সোর্স : এবিপি আনন্দ 

সন্তানের সামনেই মাকে ‘গণধর্ষণ’ শাসনে

/
উত্তর ২৪ পরগনার শাসনে বাড়িতে ঢুকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সন্তানের সামনেই মা-কে গণধর্ষণের অভিযোগ। গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত। পলাতক বাকি দুই দুষ্কৃতীর সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ। এই অভিযোগকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

অভিযোগকারিণীর দাবি, বুধবার রাতে স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। সেই সুযোগে গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে পড়ে তিন দুষ্কৃতী। অভিযোগ, আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে সাড়ে তিন বছরের শিশুর সামনেই তাকে ধর্ষণ করে তারা।

বৃহস্পতিবার সকালে বোয়ালঘাটায় বাপের বাড়ি চলে আসেন নির্যাতিতা। তারপর শাসন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।


ঘটনার তদন্ত নেমে পুলিশ গ্রেফতার করে মূল অভিযুক্ত সাহাবুদ্দিন ওরফে ক্যাশ-কে। বাকি দুই দুষ্কৃতী পলাতক।
পুলিশের দাবি, দুষ্কৃতীরা অভিযোগকারিণীর পরিবারের পূর্ব পরিচিত। ধৃতকে জেরা করেই মিলবে বাকি দুষ্কৃতীদের খোঁজ।


বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগণার গোসাবায় কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তিন যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় গ্রেফতার হয় চার অভিযুক্ত। সেই ঘটনার রেশ কাটে না কাটেই এবার গণধর্ষণের অভিযোগ উত্তর ২৪ পরগনার শাসনে।

সোর্স : এবিপি আনন্দ 

কিশোরীকে গোসাবার লজে তুলে নিয়ে গিয়ে তিন দিন ধরে ‘গণধর্ষণ’

/
রাজ্যে ফের কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ। এবার ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগণার গোসাবার পাখিরালয়ে। কিশোরীকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে লজে রেখে ৩দিন ধরে গণধর্ষণ করার অভিযোগ ৩যুবকের বিরুদ্ধে। গ্রেফতার মূল অভিযুক্তসহ ৪।
পুলিশ সূত্রে খবর,শনিবার গোসাবায় মাসির বাড়ি যাচ্ছিল সোনারপুরের বাসিন্দা ১৭ বছরের ওই কিশোরী। রাস্তায় ৩ যুবক তাঁকে আটকায়। তারপর তাকে জোর করে পাখিরালয়ের লজে তুলে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। অভিযোগ তারপর সেখানেই তিন দিন ধরে তার উপর চলে গণধর্ষণ। মঙ্গলবার সুযোগ পেয়ে হোটেল ছেড়ে পালিয়ে রাস্তায় চলে যায় অভিযোগকারিণী। তারপর কথা শুনে গ্রামবাসীরা পুলিশের হাতে তুলে দেয় তাকে।
অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার রাতেই পুলিশ মূল অভিযুক্ত বাবলু নস্করসহ ৩ যুবক ও ওই লজের ম্যানেজারকে গ্রেফতার করে গোসাবা থেকে। পরিবারের দাবি, ওই কিশোরীর টাকাপয়সা ও গায়ের গয়নাও ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্তরা।

সম্প্রতি ২০-মে তিলজলায় এক কিশোরীকে জন্মদিনের নাম করে নৈশ পার্টিতে ডেকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে। পলাতক অভিযুক্ত যুবক। রাজ্যে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় প্রশ্নের মুখে মহিলাদের নিরাপত্তা।


সোর্স  : এবিপি আনন্দ

রাস্তা থেকে খুদেকে শুঁড়ে তুলে হাঁটা দিল দাঁতাল

/
কাটোয়া: ন’বছরের ছেলেটি কখনও সার্কাস দেখেনি। দেখা হয়নি চিড়িয়াখানাও। তাই গ্রামে হাতি ঢুকেছে খবর পেয়ে সকলের সঙ্গে ছুটেছিল সে। কিন্তু হাতি ঘুরে দাঁড়ালে বাকিরা যে দিকে খুশি দৌড়লেও সে পালাতে পারেনি। পড়ে যায় একেবারে হাতির সামনে।
রবিবার সকালে মঙ্গলকোটে দলছুট দাঁতালটি কয়েক পা এগিয়ে এসে শুঁড়ে তুলে নেয় স্নেহাশিস প্রামাণিক নামে ওই বালককে। দূর থেকে তা দেখে গ্রামবাসীদের তখন মুর্ছা যাওয়ার জোগাড়। কিন্তু তাদের সবাইকে অবাক করে ছেলেটিকে রাস্তার পাশের খেতে নামিয়ে দিয়ে আবার দুলকি চালে হাঁটা দেয় হাতিটি।
বর্ধমানের কাঁকসা, বুদবুদ বা গলসি এলাকায় বুনো হাতি ঢোকে মাঝে-মধ্যেই। মঙ্গলকোটের কুনুর বা অজয়ের আশপাশের এলাকাতেও দু’এক বার তাদের দেখা গিয়েছে। কিন্তু এ দিন সকালে একেবারে কাটোয়ায় পৌঁছে যায় একটি দাঁতাল। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন বাঁকুড়া থেকে আউশগ্রাম, ভাতারের ওরগ্রাম হয়ে মঙ্গলকোটে পৌঁছয় চারটি হাতি। তার পরেই তাদের মধ্যে একটি দলছুট হয়ে যায়। কাটোয়া-মালডাঙা রাস্তা ধরে সে পৌঁছয় কাটোয়ার দোনা ও শিলে গ্রামে। সেখানে নানা বাড়ি থেকে এটা-ওটা টানাটানি করে, ধানের গোলা ভাঙার চেষ্টা করে। টিন, ক্যানেস্তারা পিটিয়ে তাকে ধাওয়া করেন বাসিন্দারা। তাড়া খেয়ে পূর্বস্থলী হয়ে দাঁতালটি ভাগীরথী পেরিয়ে রাতে নদিয়ার দিকে গিয়েছে বলে বন দফতর সূত্রে জানা যায়।
এরই মধ্যে দোনা গ্রামে হাতিটির সামনে পড়ে যায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র স্নেহাশিস। স্থানীয় বাসিন্দা তথা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাগর ঘোষের কথায়, ‘‘খেতে কাজ করছিলাম। হঠাৎ দেখি, ছেলেটিকে হাতি শুঁড়ে তুলেছে। সবাই চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করি। কিন্তু তার আগেই দেখি, যত্ন করে তাকে নামিয়ে আবার হাঁটতে শুরু করেছে হাতিটি।’’ সেই দৃশ্য দেখে সবার প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার অবস্থা হলেও স্নেহাশিস বেশ মজা পেয়েছে। তার কথায়, ‘‘প্রথমে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল, আছাড় মারবে। কিন্তু, কিছুই না করে জমিতে নামিয়ে দিল।’’ আনন্দে ও উত্তেজনায় সে তার পরে হাতির পিছনে আরও কিলোমিটার খানেক দৌড়েছে।

চিৎকার জুড়ে চোর ধরাল ছাগল

Thursday, June 18, 2015 /
আদ্রা: পদ্ধতিটা নতুন নয়। গাড়ি থামিয়ে চারপাশ দেখে সাঁ করে ছাগল পাকড়ে গাড়িতে ভরে নাও। নির্বিবাদে একটা, দু’টোও তুলে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গেরো যে তিন নম্বরে, তা কে জানত! তারস্বরে ব্যা ব্যা চিৎকার জুড়ে সেই তিন নম্বরি ছাগলই লোক জড়ো করে এক ছাগল-চোরকে ধরিয়ে দিল। দলের বাকি দু’জন কোনও রকমে পরিত্রাহি দৌড় দিয়ে এ যাত্রায় রক্ষা পেয়ে গেল।
গাড়ি ভাড়া করে প্রায় ১০০ কিলোমিটার পথ উজিয়ে ধানবাদের ঝরিয়া থানার ওয়াশিপুর গ্রাম থেকে বুধবার আদ্রায় ছাগল চুরি করতে এসেছিল তিন যুবক। ফাঁকা মাঠে চরে বেড়ানো ছাগল তুলে সটান গাড়িতে চালান করে বাড়ি ফিরে বিক্রি করাই তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। নীল রঙের ছোট গাড়িতে চড়ে আদ্রার বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করছিল ওই তিনজনে। লোকচক্ষুর আড়ালে দু’টো ছাগল তারা এক ফাঁকে তুলে নিয়ে গাড়িতে ভরেও দেয়। খানিক এ দিক ও দিক করার পরে তাদের নজরে পড়ে আদ্রার বন্ধ হয়ে যাওয়া পুলিশ ফাঁড়ির সামনের মাঠে একটি ছাগল একমনে ঘাস চিবোচ্ছে। চারপাশে নজর বুলিয়ে দেখে, জনমনিষ্যি নেই। তিনজনে গাড়ি থেকে নেমে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে যায়। একজন খপাৎ করে ছাগলটাকে পাকড়াতেই গলা ছেড়ে হাঁকডাক জুড়ে দেয় সেই ছাগল— ব্যা ব্যা ব্যা...। সঙ্গে সঙ্গে কোথা থেকে খানকয়েক লোক জু়টে যায়। অচেনা একজনকে একটা ছাগল বুকে জাপটে ধরে থাকতে দেখে এবং তাঁর পাশে আরও দু’জনের ভ্যাবাচাকা খাওয়া মুখ দেখে বাসিন্দাদের সন্দেহ হয় তারা ছাগল চোর। বাসিন্দারা তেড়ে এলে দু’জন পালিয়ে যায়। কিন্তু ওয়াশিপুর গ্রামের বছর বাইশের এহেসান খানের চেহারা রোগাপাতলা হলেও পালাতে পারেনি। তাকে চেপে ধরেন বাসিন্দারা। ঘটনার কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, ‘‘সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ গাড়ি নিয়ে এসে ওরা ছাগল তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। কিন্তু ছাগলটা পরিত্রাহি চিৎকার জুড়ে দেয়। সেই চিৎকারে লোকজন এসে একজনকে ধরে ফেলেন।’’
সেই সময়েই ওই এলাকায় মোটরবাইকে টহল দিতে বেড়িয়েছিলেন আদ্রা থানার দুই কনস্টেবল। তাঁরাই ধৃত এহেসানকে ধরে নিয়ে যান। সেই সঙ্গে গাড়িতে থাকা তিনটি ছাগলও থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেই ছাগলগুলিকে নিয়ে পুলিশের হ্যাপা কম নয়। নিয়ম অনুযায়ী, চোরাই মাল উদ্ধার হলে পাঠাতে হয় আদালতে। কিন্তু ছাগলকে আদালতে পাঠানোর বহু ঝামেলা। ছাগল চোর ধরা পড়ার খবর শুনেই ছাগল ফেরত নিতে থানায় আসতে শুরু করেছে লোকজন। স্ত্রী কাজল বাউরিকে নিয়ে থানায় এসেছিলেন ওই মাঠের পাশের বস্তিতে থাকা রিকশা চালক সনাতন বাউরি। দড়িতে বাঁধা কালো একটি ছাগলকে দেখে কাজল বলে ওঠেন, ‘‘ওই তো আমার কালী। বাচ্চাটা মায়ের দুধ খাওয়ার জন্য কাঁদছে। কোথাও খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আহা রে বাচ্চাটা ওর খিদেয় কাঁদছে!’’ কিন্তু নাচার পুলিশ। এক পুলিশ কর্মী এসে বলেন, ‘‘হুটহাট করে আটক ছাগল ছাড়া যাবে না। পশু খামারে ওদের পাঠানো হবে।’’
ও দিকে, ততক্ষণে এহসানকে একপ্রস্ত জেরা করে গিয়েছেন থানার ওসি পঙ্কজ সিংহ। লকআপে মুখ শুখিয়ে বসে রয়েছে এহসান। এক পুলিশ কর্তা বলেন, ‘‘ওর মন খারাপ তো হবেই। আপাতদৃষ্টিতে ছাগল চুরি পেটি কেস (মামুলি অপরাধ) মনে হলেও ব্যবসাটা কিন্তু লাভজনক। মাসে গোটাকুড়ি ছাগল ধরে বিক্রি করতে পারলেই নিট লাভ অন্তত ৫০-৬০ হাজার টাকা!” থানার সামনে খুঁটিতে বাধা ছাগল তিনটে তখন মনের সুখে পুলিশ কর্মীদের এনে দেওয়া বটপাতা, ঘাস চিবোচ্ছিল। হঠাৎই একটা ছাগল ডেকে উঠল— ব্যা ব্যা ব্যা। লকআপে বসেই দাঁত খিঁচিয়ে উঠল এহসান।